1. riajul.kst1@gmail.com : riajul :
  2. riajul.kst@gmail.com : riajul.kst@gmail.com :
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন

ভারতীয় সিনেমা নামে চলছে পোশাক বিক্রি, ঠকছে গ্রাহক

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০২২
  • ৯৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক :  ভারতীয় জনপ্রিয় সিনেমা পুষ্পা: দ্যা রাইজ এবং ভূবন বাদ্যকারের কাঁচাবাদাম গানের জনপ্রিয়তার সঙ্গে এবার দেশের ঈদবাজারে নেমেছে পুষ্পা শাড়ি, কাঁচাবাদাম লেহেঙ্গা ও থ্রি-পিস, ম্যায় ঝুঁকেগা নেহি লেহেঙ্গা ও থ্রি পিস। বাজারে এসব কাপড়ের ব্যাপক চাহিদা থাকায় প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ক্রেতারা।

মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা গাঙ্গিনাড়ের ছোট বড় বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া যায়। ‘রঙের মেলা’ শোরুমের মালিক মতিন মিয়া বলেন, ৫ থেকে ৮ বছরের শিশুদের জন্য পুষ্পা থ্রি পিস এক হাজার টাকা। বড়দের শাড়ারা নামক থ্রি পিস এক হাজার ৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পুষ্পা ও কাঁচাবাদামের চাহিদা অনেক বেশি থাকায় বিক্রি শেষ। বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য আছে কি না যা দেখে বোঝা যাবে এগুলো পুষ্পা ও কাঁচাবাদাম থ্রি-পিস বা লেহেঙ্গা এমন প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতা বলেন, এগুলোর আলাদা কোনো বৈশিষ্ট্য নেই। সত্রিশাল থেকে শাড়ি কিনতে আসা ফাতেমা নাসরিন বলেন, প্রতিবারের থেকে এবার শাড়ি ও লেহেঙ্গার দাম অনেক বেশি মনে হচ্ছে। একটা লেহেঙ্গা পছন্দ করেছি। কিন্তু ৪ হাজার টাকার নিচে দিচ্ছে না। এদিকে বাজেটের মধ্যে শাড়িও মেলাতে পারছি না। পুষ্পা শাড়ি কাঁচাবাদাম লেহেঙ্গা বলে কিছু নেই, সবই প্রতারণা

নগরীর শানকি পাড়া শেষ মোড় থেকে আসা নারগিস আক্তার বলেন, পুষ্পা বা কাঁচাবাদাম নামে যেসব পোশাক দেখছি সেগুলো নিম্নমানের। এগুলো অরিজিনাল পুষ্পা বা কাঁচাবাদাম পোশাক কি না সন্দেহ আছে। তাই অন্য পোশাক দেখছি।

বারী প্লাজা মার্কেটের ব্যবসায়ী মাসুদ রানা বলেন, পুষ্পা বা কাঁচাবাদাম পোশাক বলতে বাজারে কিছু নেই। চাহিদা অনেক বেশি থাকায় বিক্রেতারা সাধারণ ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। তবে বেঁচাকেনা মোটামুটি হচ্ছে। আশা করছি ঈদের সামনে আরও বেচাকেনা বাড়বে।

মিতু ফেশন গ্যালারির বিক্রেতা সানি আহমেদ বলেন, বড়দের পুষ্পা থ্রি-পিস ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি করি। তবে এই পোশাকের নিজস্ব কোনো নাম লেখা নেই। ক্রেতারা চাইলে আমরা দিয়ে দিই। এছাড়া ম্যায় ঝুঁকেগা নেহি লেহেঙ্গার ৫টি কালার এসেছে। এগুলো ২৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করি।

আজাদ বাজারের বিক্রেতা শফিকুল আলম বলেন, করোনার প্রভাব এখনো কাটেনি। বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কম। ঈদের আগে আরও কিছু বাড়তে পারে। তবে আমরা যেমন আশা করেছিলাম তেমন না। কাতান, বুটিক, পাকিস্তানি লোন, কাঁচাবাদাম, পুষ্পা, বেলাগন ছিল, সব শেষ হয়ে গেছে। গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এসব পোশাক। এছাড়াও ইন্ডিয়ান বুটিকের লেহেঙ্গা ৪ হাজার থেকে ২৬ হাজার, জামদানি ও কাতান শাড়ি ৪ থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহমেদ বলেন, ক্রেতারা যেন প্রতারণার স্বীকার না হয় সেজন্য নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এখন থেকে নিয়মিত মার্কেটগুলোতেও অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....

All rights reserved © 2020 tajasangbad.com
Design & Developed BY Anamul Rasel
x