1. raselahamed29@gmail.com : admin :
  2. riajul.kst@gmail.com : riajul.kst@gmail.com :
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

উদ্বোধনের অপেক্ষায় মনপুরার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১০ ঘর

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ভোলা জেলা প্রতিনিধিঃ মনপুরা উপজেলার হাজির হাট ইউনিয়নের জংলারখাল সংলগ্ন প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে খুশি আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগীরা। উদ্বোধনের অপেক্ষায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত তৃতীয় পর্যায়ের ২১০টি ঘরের মধ্যে ১১০টি ঘর । আগামী ২৬শে এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয় ধাপে নির্মিত ঘরগুলো উদ্বোধন করবেন। জমিসহ আধা-পাকা ঘর পেয়ে খুশি ভূমিহীন গৃহহীন পরিবারগুলো।

উপজেলার হাজির হাট ইউনিয়নের জংলারখাল সংলগ্ন আশ্রয়ণ প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে আশ্রয় পাওয়া পরিবারগুলো জানান, তারা কোন দিন ভাবেননি মাথা গোঁজার মতো নিজেদের একটি ঠিকানা হবে। আজ আমরা অসহায় পরিবারগুলো প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে থাকি, আর আমাদের কোন কষ্ট নেই। আগে খুব কষ্টে ছিলাম। বর্ষায় বৃষ্টির পানিতে খুব কষ্ট করেছি। এখন খুব আরামে থাকি। ঘর বরাদ্দ পেয়ে আমরা খুব খুশি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা নামাজ পড়ে দোয়া করি শেখ হাসিনার জন্য। আমাগোরে বিনা পয়সায় সুন্দর ঘর করে দিছেন প্রধানমন্ত্রী। এখন আমাদের কোন চিন্তা নাই ।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে খুব খুশি ভ্যানগাড়ি চালক আব্দুর রহমান। অভাবের সংসার। ভ্যানগাড়ি চালিয়ে সংসার চালায়। তার ৩ ছেলে । কোন জায়গা জমি নেই। আগে অন্যের বাড়ীতে থাকতেন। এখন প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে খুব খুশি।

মা বাবা ও স্বামী নেই প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পাওয়া শিল্পী বেগমের। স্বামী পরিত্যক্তা শিল্পী বেগম। ২ ছেলে নিয়ে থাকতেন অন্যের বাড়ীতে ঝুপড়ি ঘর উঠিয়ে। ঘর বরাদ্দ পেয়ে চোখে মুখে খুশির ঝিলিক দেখা যায়। জানতে চাইলে দুহাত উঠিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করেন। বলেন স্বামী অনেক আগে আমাকে ছেড়ে চলে গেছেন। ছোট ২টি ছেলে নিয়ে অন্যের বাড়ীতে কাজ করে জীবনটা কাটিয়ে দিচ্ছি ঝুপড়ি ঘরের মধ্যে। টাকা পয়সার অভাবে ঘর করতে পারিনি। বর্ষা ও শীতে অনেক কষ্ট করেছি। এখন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে থাকছি আর কষ্ট হবেনা।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধান মন্ত্রীর উপহার হিসেবে ভোলার মনপুরায় প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে ২শত ৫০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য নির্মিত হয়েছে আধা-পাকা টিনের ঘর । প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় সরকারী খাস জমিতে এসব ঘর নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপহার নির্মাণাধীন ঘরগুলো ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপহার (ঘর) পেয়ে বসবাস করছেন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামীম মিঞা অক্লান্ত পরিশ্রম করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘরগুলো নির্মাণ করে উপকার ভোগীদের মাঝে বুঝিয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরগুলোতে বসবাস করছেন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মানুষ। ঘর পেয়ে খুব খুশি উপকার ভোগীরা। তৃতীয় ধাপেও নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াছ মিয়া জানান, প্রতিটি পরিবারের জন্য দুই শতাংশ খাস জমি দিয়ে ঘর তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয় ধাপে মোট ২১০টি ঘর নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ১১০টি ঘর সম্পূর্ণ করা হয়েছে। নির্মিত ১১০টি ঘর এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়। নির্মিত ঘরগুলো বাথরুম , গোসলখানা, বারান্দাসহ ২ কক্ষ বিশিষ্ট প্রতিটি আধা-পাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় ২ লক্ষ ৫৯ হাজার টাকা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামীম মিঞা বলেন, তৃতীয় ধাপে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২১০টি ঘরের মধ্যে ১১০টি ঘর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। ঘরগুলো উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬শে এপ্রিল নির্মিত ঘরগুলো উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধন শেষে আমরা উপকারভোগীদের জমির কবুলত রেজিঃসহ নির্মিত ঘরগুলো হস্তান্তর করব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....

All rights reserved © 2020 tajasangbad.com
Design & Developed BY Anamul Rasel
x