1. raselahamed29@gmail.com : admin :
  2. riajul.kst@gmail.com : riajul.kst :
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় নয় মাসের শিশুকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা কুষ্টিয়ায় ১৫ দফা দাবিতে পন্যপরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ৭২ ঘন্টা কর্মবিরতি কুষ্টিয়ায় সাব-রেজিষ্ট্রার হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি বিএনপি নির্বাচনকে কোন চশমায় দেখবেন আগে মনস্থির করুক কুষ্টিয়ায় হাসানুল হক ইনু চলন্ত লেগুনায় নারী অচেতন ব্যাগ-মোবাইল উধাও গাজীপুরে উঠান খুঁড়তে ১০০ বছরের গুপ্তধন! ঢাকঢোল পিটিয়ে লাল নিশানা উড়িয়ে জমি বুঝিয়ে দিল আদালত লালমনিরহাটে করোনা হেল্প সেন্টারের সংগে ভার্চুয়ালে মিটিং করলেন সাবেক উপমন্ত্রী দুলু কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের মাহবুব-ডাবলু পরিষদের প্যানেল পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শৈলকুপায় ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলায় জনতার ভিড়

কুষ্টিয়া পৌর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলছে

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৩৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : করোনা মহামারীর কারণে সরকারি নির্দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কুষ্টিয়া পৌর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, প্রতিটা ক্লাসের বাচ্চাদের সপ্তাহে একদিন করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পড়া এবং হাতের লেখা নেয়া হচ্ছে। তবে, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক এ ধরণের ক্লাস বন্ধ করে দেয়ার কথা জানিয়েছেন।


রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় কুষ্টিয়া পৌর বাজারের পাশে পৌর-১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় একে একে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসছেন অভিভাবকরা। কেউ সাধারণ পোশাকে কেউ আবার বাচ্চা নিয়ে এসেছেন স্কুল ড্রেস পরিয়ে। বিদ্যালয়ের ফটক পেরিয়ে বসে আছেন এর দপ্তরী জাহাঙ্গীর। তিনি অভিভাবকদের বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন বাচ্চাদের স্কুল ড্রেস পরিয়ে যেন না আনা হয়। এতে নানা মানুষ প্রশ্ন করতে পারেন, স্কুল কী খুলে গেল? এদিন (রবিবার) ক্লাস ওয়ানের শিক্ষার্থীদের একঘণ্টার (১০টা থেকে ১১টা) ক্লাস হওয়ার কথা। এজন্য বিদ্যালয়ের নিচতলায় একটি বেসিন বসানো হয়েছে। সেখান থেকে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে দ্বোতলায় ক্লাসে যেতে দেখা যায় শিশুদের। আর তাদের অভিভাবকরা বসে গল্প করছে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনেই। কীভাবে ক্লাস হচ্ছে জানতে চাইলে দপ্তরী জাহাঙ্গীর বলেন, ম্যাডাম রেডিও এবং টেলিভিশনের ক্লাস শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে দেন।
টেলিফোনে কথা হয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তহমিনা খাতুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে জুম মিটিং-এ সিনিয়র কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলেন। তাছাড়া টেলিভিশনে দেখেছি শিক্ষকরা পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে বাচ্চাদের জড়ো করে পড়াচ্ছেন। আমার বিদ্যালয় শহরের মধ্যে হওয়ায় বাচ্চাদের বাড়িতে গিয়ে জড়ো করে এভাবে পড়ানো সম্ভব নয়। তাছাড়া এ বিদ্যালয়ের শিক্ষাথীদের অভিভাবকরা অনেকেই খুবই দরীদ্র। তাদের পক্ষে স্মার্ট ফোনে ক্লাস করা সম্ভব নয়। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও এদের আগ্রহ পাওয়া যায়নি। এ কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে পিছিয়ে না পড়েন সেজন্য সপ্তাহে একদিন ১ ঘণ্টার ক্লাসের এ উদ্যোগ নিয়েছি। বাচ্চাদের হাতের লেখা এবং পড়া দেয়া হচ্ছে। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ক্লাসে আসছেন।

টেলিফোনে কথা হয়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: তবিবুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক হয়তো তার শিক্ষার্থীদের ভালোর কথা চিন্তা করেই এমনটি করেছেন। তবে, মহামারীর মধ্যে তার এ উদ্যোগের কোন দরকার নেই। তিনি এটা ঠিক করেননি। যদি এখান থেকে ভাইরাস সংক্রমণ হয় তার দায় কে নেবেন? তিনি বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোন স্কুলেই ক্লাস নিতে পারবেন না। এখনি ক্লাস বন্ধ করে দিচ্ছি- জাহিদুজ্জামানকে জানান তবিবুর। অল্প দিনের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত আসবে বলেও জানান শিক্ষা কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এরইমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে-কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আজ থেকে খুলে যাচ্ছে। এখানে সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


এদিকে সচেতন মহলের মধ্যেও এনিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সমাজকর্মী খলিলুর রহমান মজু বলেন, প্রধান শিক্ষক এককভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করেন নি। তবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যাপারে একমত তিনি। এতে করে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যাপারে সচেতন করা সম্ভব হবে। যার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী করোনা মোকাবেলাও সহজ হবে। কথা হয় শারমিন নামের একজন অভিভাবকের সঙ্গে। তিনি মনে করেন বাচ্চাদের ক্ষেত্রে নিয়ম মানা খুবই কঠিন। তাই প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত ক্ষতিকর হতে পারে। একযোগে অনেকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....

All rights reserved © 2020 tajasangbad.com
Design & Developed BY Anamul Rasel