1. raselahamed29@gmail.com : admin :
  2. riajul.kst@gmail.com : riajul.kst :
সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুষ্টিয়া চৌড়হাস কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ইমাম ও মুয়াজ্জিমকে মারধর, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য বন্ধ সিনেমা হল চালু হবে: তথ্যমন্ত্রী কালীগঞ্জ, মহেশপুর ও শৈলকুপা পৌর নির্বাচনে আ’লীগের জয় বাঁশ নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হলো ছাত্রদল ছাত্রদল-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ার শেল নিক্ষেপ ২৯ পৌরসভা চলছে ইভিএমে ভোট গ্রহণ কুষ্টিয়ার চরথানাপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে তিন যুবকের কারাদণ্ড কুষ্টিয়ার কুমারখালী নিখোঁজের দু’দিন পর বাড়ির পাশের আবর্জনা লাশ উদ্ধার পরীক্ষা দিতে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও কর্মসূচী ঘোষণা কুষ্টিয়া তালবাড়িয়ায় মোটর সাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

মরিচের গুঁড়া নিক্ষেপ করে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৯৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে মারধর ও পুলিশের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। আসামির পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করে আসামি কাশেম বেপারীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের বড়শিবা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গলাচিপা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. সুমন হাওলাদার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। গলাচিপা থানার মামলা নম্বর ২২।
মামলায় কাশেম বেপারীকে (৪৫) ও বশির বেপারীর স্ত্রী হাসিনা বেগমসহ (৩৫) মোট ১০ জনের নামোল্লেখ করে এবং ৮ থেকে ৯ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার রাতে অন্যতম আসামি হাসিনা বেগমকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমআর শওকত আনোয়ার ইসলাম জানান, ভোলার চরফ্যাশনের একটি জিআর-২৫৬/৯৯ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি কাশেম গলাচিপার চরকাজল ইউনিয়নের বড়শিবা গ্রামে অবস্থান করছেন। পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে কাশেমকে গ্রেফতার করেন।
এ সময় কাশেমের বাড়ির নারী-পুরুষ চিৎকার দিয়ে সবাই একত্রিত হয়। পুলিশ কিছু বুঝেওঠার আগেই মরিচের গুঁড়া নিয়ে ছুটে এসে হাসিনা বেগম। তারাসহ থানার এএসআই সুমনসহ অন্যান্য সদস্যদের চোখে ছিটিয়ে দেয়। এসময় জড়ো হওয়া ১০-১২ জন মিলে পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন। মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে রক্ষা না পাওয়ায় প্রধান আসামি কাশেম সুপারি কাটার ‘ছরতা’ দিয়ে এএসআই সুমনের মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত এএসআই সুমন এখনও চিকিৎসাধীন। পলাতক প্রধান আসামি কাশেমকে গ্রেফতার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে বলেও জানান ওসি ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর ....

All rights reserved © 2020 tajasangbad.com
Design & Developed BY Anamul Rasel